• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩

অতুলপ্রসাদ সেন

অতুলপ্রসাদ সেন

ফিচার ডেস্ক

অতুলপ্রসাদ সেন একজন কবি, গীতিকার, গায়ক। তিনি একজন বিশিষ্ট সঙ্গীতবিদও ছিলেন। তার রচিত গানগুলির মূল উপজীব্য বিষয় ছিল দেশপ্রেম, ভক্তি ও প্রেম। অতুলপ্রসাদের গানের সংখ্যা প্রায় ২০০। তার গানের সংকলন ‘কয়েকটি গান’ ও ‘গীতিপঞ্জ’।

১৮৭১, ২০ অক্টোবর: অতুলপ্রসাদ সেন ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের আদি নিবাস ছিল ফরিদপুরের দক্ষিণ বিক্রমপুরের মগর গ্রামে।

১৮৯০: প্রবেশিকা পাসের পর কিছুদিন কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে অধ্যয়ন করেন।

১৮৯২: ব্যারিস্টারী ডিগ্রী লাভের উদ্দেশ্য নিয়ে আইন পড়তে অতুলপ্রসাদ লণ্ডনে গমন করেন।

১৮৯৪: আইন পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়ে তিনি বাংলায় ফিরে আসেন এবং রংপুর ও কলকাতায় অনুশীলন শুরু করেন।

১৯০০: স্কটল্যান্ডে গিয়ে মামাতো বোন হেমকুসুমকে বিয়ে করেন অতুলপ্রসাদ।

১৯০১: তাদের যমজ পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। যার মধ্য একজনের অকাল মৃত্যু হয়।

১৯০২: আরেক সন্তান দিলীপকুমারকে নিয়ে বিধ্বস্ত অবস্থায় তারা কলকাতায় ফিরে এলেন, তখন প্রকাশ্যে একজন আত্মীয়ও পাশে দাঁড়ায়নি।

১৯০২ - ১৯৩৪: অতুল প্রসাদ আইন ব্যবসা উপলক্ষে লক্ষ্ণৌতে অতিবাহিত করেন। তার বাংলোতে প্রায় প্রতি সন্ধায়ই গানের আসর বসতো। বাংলা সাহিত্যে অতুল প্রসাদই প্রথম ঠুংরির চাল সংযোজন করেন।

১৯১৬: লক্ষ্ণৌয়ে সর্বভারতীয় কংগ্রেস অধিবেশনে স্বেচ্ছাসেবকদের অধিনায়ক হিসেবে তিনি যে দেশাত্মবোধক গানটি রচনা করেন, তাতে হিন্দু-মুসলমানের ঐক্যের সুর আছে।

১৯২২-২৩: কলকাতা থেকে প্রথম অতুলপ্রসাদের গানের রেকর্ড বের হয় সাহানা দেবী ও হরেন চট্টোপাধ্যায়ের কণ্ঠে।

১৯৩০: অতুলপ্রসাদের মামাতো বোন সাহানা দেবীর সম্পাদনায় ৭১টি গান স্বরলিপিসহ কাকলি নামে দু খন্ডে প্রকাশিত হয়।

১৯৩৪, ২৬ আগস্ট: ব্রিটিশ ভারতের লক্ষ্ণৌতে বসবাসকালে তাঁর মৃত্যু হয়।

 

তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া, https://www.anandabazar.com/patrika/some-unknown-stories-about-bengali-composer-lyricist-and-singer-atul-prasad-sen-1.761233

এবি/এসজে

 

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:২০এএম, ঢাকা-বাংলাদেশ।