• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩

সহজ যে ব্যায়াম শরীর রাখবে ফিট

সহজ যে ব্যায়াম শরীর রাখবে ফিট

প্রতিকী ছবি

ফিচার ডেস্ক

সুস্থ ও সুন্দর দেহের জন্য শরীরচর্চার বিকল্প নেই। সুঠাম দেহ পাওয়ার জন্য আমরা কত কিছুই না করি। সুষম খাবার ও নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস আপনাকে দেহে সুস্থ দেহ ও সুন্দর প্রাণোবন্ত মন। বিভিন্ন রকম শরীরচর্চা রয়েছে। তবে গবেষকরা বলছেন, সবচেয়ে ইফেকটিভ ব্যায়াম হচ্ছে হাটা ও সাঁতার দেয়া। হাটার জন্য বাড়তি সময় বের করা প্রয়োজন। তবে, সাঁতারের জন্য বাড়তি সময় লাগে না। গোসলের সময় নিয়মিত সাঁতার দেয়ার অভ্যাস করলেই শরীরচর্চা হয়ে যায়।

শরীরচর্চা বা ব্যায়াম হিসেবে সাঁতার কতটা কার্যকরী তা নিয়ে আমরা গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য দেয়া চেষ্টা করেছি। চলুন দেখে নেয়া যাক-

আর্থ্রাইটিস নিরাময় করে: যারা বিভিন্ন রকম আর্থ্রাইটিসের সমস্যায় ভুগছেন, তারা নিয়মিত ব্যায়াম করুন। এ ছাড়া যারা হাঁটু, পা ও কোমরের মাসল স্পাজমের ব্যথায় কাতর, তারাও সাঁতার দিতে পারেন। গবেষকরা বলছেন, সাঁতার দেহের সকল নার্ভ ও মাসল সচল করে দ্রুত।

ফুসফুস ভালো থাকে: যারা অল্পতেই হাপিয়ে উঠেন, তাদের জন্য সাঁতার। তবে, প্রথম কয়েকদিন অল্প অল্প সাঁতার দিবেন। সাঁতার ফুসফুসের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

হৃৎপিণ্ড সচল রাখে: গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত সাঁতার কাটেন, তাদের হার্টের সমস্যাও কমে যায়। সাঁতার দিলে হার্টের স্পন্দন সাভাবিক গতি ফিরে পায়।

ওজন কমায়: যারা স্থুল শরীর নিয়ে শরীরচর্চায় ভয় পান, তারা সাঁতার করুন। পানিতে ভেসে ভেসে ধীরে ধীরে সাঁতারের অভ্যাস আপনার দেহের অতিরিক্ত ক্যালরি ঝরিয়ে দেবে। ফলে সহজেই ওজন কমে যাবে।

মানসিক প্রশান্তি দেয়: আপনি হতাশায় ভুগছেন, মেজাজ খিটখিটে। তাহলে আজ থেকেই সাঁতার দেয়া শুরু করুন। সাঁতার স্নায়ুর ওপর চাপ কমাতে সহায়তা করে। এতে আপনার মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত হবে।

ঘুমের সমস্যা দূর করে: যারা ঘুমের ঘাটতিজনিত সমস্যায় ভুগছেন, তারা নিয়মিত সাঁতার দেয়া শুরু করুন। সাঁতার দেহের পেশী ও স্নায়ু রিল্যাক্স করে। যে কারণে সহজেই ঘুম চলে আসে। ইনসোমনিয়া বা নিদ্রাহীনতা দূর করতে হলে সাঁতারের বিকল্প নেই।

সতর্কতা

⇒ শিশু ও বৃদ্ধদের সাঁতারের সময় প্রাপ্ত বয়স্ক সাঁতার জানা কেউ একজন সঙ্গে থাকুন।
⇒ যারা হাঁপানি রোগী, তারা কখনোই একা একা সাঁতার দিতে পুকুরে নামবেন না।
⇒ সাইনাসে আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে সাঁতার দিবেন।
⇒ গর্ভবতী নারীরা সাঁতার দেয়ার আগে আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
⇒ অত্যধিক দুর্বল শরীর নিয়ে সাঁতার দেয়া থেকে বিরত থাকুন।
⇒ বজ্রপাত ও মেঘের গর্জন চলাকালে পুকুরে সাঁতার দেয়া থেকে বিরত থাকুন।
⇒ সাঁতার দেয়ার সময় কোনো খাবার মুখে রাখবেন না।

 

তথ্যসূত্র: হেলথ লাইন।

১৬ আগস্ট ২০২৩, ০২:০৪পিএম, ঢাকা-বাংলাদেশ।